শহিদুল ইসলাম শহিদ,সাতক্ষীরা :ভোজ্য ও জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ ও পাচার প্রতিরোধ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং আসন্ন পহেলা বৈশাখ ও পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন, যশোর।
রোববার (১২ এপ্রিল ২০২৬) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যশোর রিজিয়নের অধীন প্রায় ৬০০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় ২টি সেক্টরের আওতায় ৭টি ইউনিটের ১১৬টি বিওপি’র মাধ্যমে প্রতিদিন ৪৬৪টি টহল পরিচালনা করা হচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান দমন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এসব কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে তেল পাচার ও অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি প্রতিরোধে বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বেনাপোল, ভোমরা ও দর্শনা স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি পণ্যবাহী যানবাহনে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫টি বিশেষ তল্লাশি চালানো হয়েছে। এছাড়া ২২টি তেল পাম্পে নিয়মিত নজরদারি ও বিশেষ চেকিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
সীমান্ত এলাকায় সম্ভাব্য পাচার রুট চিহ্নিত করে ২ হাজার ৩৯৭টি টহল এবং ৯৫১টি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণকে সচেতন করতে ৯২৩টি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে ৩১টি টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ তেল জব্দসহ এক ব্যক্তিকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে।
ঈদ-উল-আজহা সামনে রেখে গরু পাচার রোধে সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত টহল, চেকপোস্ট স্থাপন এবং সন্দেহভাজনদের ওপর কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে সীমান্তবর্তী জনগণকে সচেতন করতে নিয়মিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
এদিকে, চলতি ২০২৬ সালে যশোর রিজিয়ন ৯১ জন আসামিসহ প্রায় ৬০ কোটি টাকার চোরাচালানী মালামাল জব্দ করেছে। এর মধ্যে স্বর্ণ, রৌপ্য, অস্ত্র ও গুলি উল্লেখযোগ্য। ২০২৫ সালেও ৪২০ জন আসামিসহ ৩৭৭ কোটির বেশি টাকার মালামাল জব্দ করা হয়।
মাদক বিরোধী অভিযানেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে বিজিবি। ২০২৬ সালে বিভিন্ন অভিযানে মদ, ইয়াবা, গাঁজা ও ফেন্সিডিলসহ প্রায় ২২ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। ২০২৫ সালেও বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্তে নিরাপত্তা ও আস্থা নিশ্চিত করতে বাহিনীর সদস্যরা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। চোরাচালান ও অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, সাংবাদিক ও সাধারণ জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।ভোজ্য ও জ্বালানি তেল পাচার রোধে বিজিবির বিশেষ কর্মসূচি জোরদার
স্টাফ রিপোর্টার: সীমান্ত এলাকায় ভোজ্য ও জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ ও পাচার প্রতিরোধ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং আসন্ন পহেলা বৈশাখ ও পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন, যশোর।
রোববার (১২ এপ্রিল ২০২৬) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যশোর রিজিয়নের অধীন প্রায় ৬০০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় ২টি সেক্টরের আওতায় ৭টি ইউনিটের ১১৬টি বিওপি’র মাধ্যমে প্রতিদিন ৪৬৪টি টহল পরিচালনা করা হচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান দমন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এসব কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে তেল পাচার ও অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি প্রতিরোধে বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বেনাপোল, ভোমরা ও দর্শনা স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি পণ্যবাহী যানবাহনে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫টি বিশেষ তল্লাশি চালানো হয়েছে। এছাড়া ২২টি তেল পাম্পে নিয়মিত নজরদারি ও বিশেষ চেকিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
সীমান্ত এলাকায় সম্ভাব্য পাচার রুট চিহ্নিত করে ২ হাজার ৩৯৭টি টহল এবং ৯৫১টি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণকে সচেতন করতে ৯২৩টি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে ৩১টি টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ তেল জব্দসহ এক ব্যক্তিকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে।
ঈদ-উল-আজহা সামনে রেখে গরু পাচার রোধে সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত টহল, চেকপোস্ট স্থাপন এবং সন্দেহভাজনদের ওপর কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে সীমান্তবর্তী জনগণকে সচেতন করতে নিয়মিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
এদিকে, চলতি ২০২৬ সালে যশোর রিজিয়ন ৯১ জন আসামিসহ প্রায় ৬০ কোটি টাকার চোরাচালানী মালামাল জব্দ করেছে। এর মধ্যে স্বর্ণ, রৌপ্য, অস্ত্র ও গুলি উল্লেখযোগ্য। ২০২৫ সালেও ৪২০ জন আসামিসহ ৩৭৭ কোটির বেশি টাকার মালামাল জব্দ করা হয়।
মাদক বিরোধী অভিযানেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে বিজিবি। ২০২৬ সালে বিভিন্ন অভিযানে মদ, ইয়াবা, গাঁজা ও ফেন্সিডিলসহ প্রায় ২২ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। ২০২৫ সালেও বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্তে নিরাপত্তা ও আস্থা নিশ্চিত করতে বাহিনীর সদস্যরা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। চোরাচালান ও অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, সাংবাদিক ও সাধারণ জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
